পুরুষদের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি!
কিঞ্চিত ১৮+ লিখা – নিজ দায়িত্বে বুঝে-শুনে পড়বেন!
এইতো দু’চারদিন আগে একজন প্রবাসী ভাই ফোন দিলেন। বয়স ৩৫/৩৬ হবে। কয়েক মাসের জন্য স্ত্রী উনার নিকট প্রবাসে বেড়াতে গিয়েছেন। স্বামী-স্ত্রীর জীবন ভালোই চলছিল।
তারপর হঠাৎ একদিন দেখতে পেলেন, তিনি আর আগের মত নেই। উনার ভাষায় – “এটা (পে*নিস) প্রস্রাব ব্যতীত আর কোন কাজে লাগতেছে না”।
ফোনে প্রাথমিক কিছু তথ্য নিয়ে মূল কারণটা উদঘাটন করা গেলো না। তাই পরামর্শ দিয়েছি, যেন দ্রুত নিকটস্থ একজন চিকিৎসকের পরামর্শ নেন, প্রয়োজনে কিছু পরীক্ষা নিরীক্ষা করে দেখবে।
এতো গেলো একজনের কথা, আশপাশে এমন বহু মানুষ আছে। এগুলো তো কেউ বলে না, তাই সচরাচর মানুষজন জানেও না।
আমার এগুলো বলতে কিছুটা জড়তা কাজ করে বিধায় — নয়তো প্রচুর কেইস শেয়ার করা যেত। এধরনের পেশেন্ট হরহামেশাই পাচ্ছি।
কেন এই সমস্যা গুলো হচ্ছে?
এগুলো থেকে বাঁচতে আমরা কি করতে পারি?
বর্তমান সময়ে পুরুষদের সবচেয়ে বেশি যে দুটো যৌ’ন সমস্যা হচ্ছে তা হলো –
★ Erectile dysfunction – ED
★ Premature ejaculation – PE
আজকে আমরা শুধু ED নিয়ে অল্প একটু কথা বলব ইনশাআল্লাহ।
এটা খুব ভয়াবহ একটা সমস্যা, ED এর কারণে সংসার ভেঙে যেতেও দেখেছি। তবে ভাবার বিষয় হচ্ছে, ED শুধুমাত্র একক কোন সমস্যা না, শরীরে আরো অন্যান্য সমস্যা মিলিয়েই ED এর আত্মপ্রকাশ ঘটে।
ডায়াবেটিস, উচ্চ রক্তচাপ, ধূমপান, মাদকাসক্তি, স্থূলতা, অলস জীবনযাপন, হৃদরোগ ইত্যাদি সমস্যাগুলো যাদের আছে তারা ED -এর রিস্কে আছেন। ক্ষেত্রবিশেষে ৫০-৬০ এর উপর বয়স্করাও রিস্কে থাকেন।
মানসিক-শারীরিক আরো অনেক কারণ থাকে, সেগুলো এখানে বলছি না আলোচনা দীর্ঘায়িত হওয়ার ভয়ে।
কোথাও পড়েছিলাম —
“হার্ভার্ডের এক স্টাডিতে এসেছে, রোজ মাত্র ৩০ মিনিট হাঁটলে ED-এর রিক্স ৪১% কমার চান্স আছে। এমনকি মধ্যবয়সী রোগী, মোটাসোটা হলেও মাঝারি ব্যায়ামের কারণে যৌ’ন সক্ষমতা ফিরে এসেছে।”
কেউ যদি হেলদি লাইফস্টাইল মেইনটেইন করে (স্প্রিচুয়াল, ফিজিক্যাল, মেন্টাল), খাদ্যাভ্যাস ঠিক রাখে, নিয়মিত ব্যায়াম করে — অনেকাংশেই বেঁচে যাবে ইনশাআল্লাহ।
কথায় আছে – “Prevention is better than cure”. তাই রোগ হওয়ার আগেই সাবধান হওয়া ভালো।
