Home / Blog / Health Tips

ভুরিভোজ বনাম বাস্তবতা!

নিঃসন্দেহে কাউকে খাওয়ানো খুবই সাওয়াবের কাজ। কিন্তু আজকাল যা হচ্ছে, হায় আল্লাহ! ছোট্ট একটা খাবারের আয়োজন করলেও মারাত্মক লেভেলের ঝামেলা পোহাতে হয়।

হিসেব করলে সাওয়াবের চেয়ে গোনাহের পাল্লাটাই বেশী ভারী হবে মনে হচ্ছে। নফল ঈবাদতের জন্য কতগুলো ফরজ লঙ্ঘন হচ্ছে — সে হিসেব করেছি কি!

এত পরিমাণে পর্দার খেলাফ হয় যা ভাষায় প্রকাশ করা সম্ভব না। যারা টুকটাক পর্দা করে তারাও একবেলা-একপ্লেট খাবারের জন্য পর্দা বিসর্জন দিয়ে বসে। আর খাস পর্দানশীনদের জন্য তো এটা একটা আযাব।

খাবারের অপচয় — এটা যেন স্বাভাবিক বিষয়। পেটের চেয়ে চোখের ক্ষিদা বেশী আমাদের। এত খাবার একসাথে দেখলে কি আর মাথা ঠিক থাকে!

কাউকে দাওয়াত দিলে খুশি, না দিলে বেজার। আবার দাওয়াত দিলে আসেও না, না দিলে বলে আমাকে দাওয়াতটুকুও দিলো না; আমাকে দিলো আমার ছেলেকে দিলো না, ভাইকে দিলো না, মেয়ের জামাইকে দিলো না…।

বিয়ের অনুষ্ঠানে সর্বনিম্ন ১০০০, আর একটু কাছের হলে তো ২-৩ হাজারের কমে দেওয়া সম্ভবও না। মধ্যবিত্তদের দাওয়াত পেলে কলিজা মোচড় মারে; না পেলে ছোট ছোট লাগে। বলেন, এই হিসেবের মারপ্যাচে কেমনে আসবে দাওয়াতে!

নিজের চোখে দেখা, দাওয়াতী মেহমান না আসার কারণে কি পরিমাণ খাবার যে নষ্ট হয়। আয়োজকসহ বহু মানুষের নামাজ ছুটে যাওয়া যেন নিত্যনৈমিত্তিক ব্যাপার।

ছোট বড় যে কোন খাবারের আয়োজন এখন বেশ বিরক্তিকর একটা জিনিস। এসব আয়োজন না করে বরং রান্না করে গরীবদেরকে খাইয়ে দিলে ভালো, মাদ্রাসায় দিয়ে দেওয়া যেতে পারে।

আমি চেষ্টা করি এসব ফ্রি মিক্সিং এর দাওয়াত সর্বোচ্চ এভয়েড করতে; কিছু জায়গায় আমারো নিরুপায় হয়ে যেতে হয়।

Share this article
aroggokanonbangladesh@gmail.com
Written by

aroggokanonbangladesh@gmail.com

Aroggokanon Healthcare & Wellness Team

Aroggokanon

Looking for personalized guidance?

Contact our team to learn more about our healthcare and wellness services.

Contact Aroggokanon →